ডেস্ক নিউজ:
বিশ্বকাপ শিরোপার অন্যতম দাবিদার ব্রাজিল আসরের প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশিত জয় পায়নি। মরক্কোর বিপক্ষে ড্র দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করায় সমর্থকদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে ফুটবল ইতিহাস বলছে, বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পয়েন্ট হারানো কোনো দলের শিরোপা জয়ের পথে চূড়ান্ত বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। অতীতের একাধিক উদাহরণ ব্রাজিলের জন্য ইতিবাচক বার্তাই বহন করছে।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচকে সাধারণত যেকোনো দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হয়। নতুন পরিবেশ, প্রতিপক্ষের চাপ এবং প্রত্যাশার ভার অনেক সময় ফেবারিট দলগুলোকেও কাঙ্ক্ষিত ফল থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। তবে ইতিহাসে এমন অনেক দল রয়েছে, যারা শুরুতে ধাক্কা খেলেও শেষ পর্যন্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জিতেছে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে একাধিকবার দেখা গেছে, প্রথম ম্যাচে ড্র বা পরাজয়ের পরও দলগুলো ঘুরে দাঁড়িয়ে শিরোপা জয় করেছে। এসব উদাহরণ প্রমাণ করে যে টুর্নামেন্টের শুরু নয়, বরং ধারাবাহিক উন্নতি ও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে সাফল্যই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করে দেয় কোনো দলের ভাগ্য।
ব্রাজিলও সেই ইতিহাস থেকেই অনুপ্রেরণা খুঁজতে পারে। দলটির সামনে এখনও গ্রুপপর্বের বাকি ম্যাচ এবং পরবর্তী নকআউট পর্বের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথম ম্যাচে পূর্ণ তিন পয়েন্ট না পেলেও টুর্নামেন্টের দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার সুযোগ এখনো অক্ষুণ্ন রয়েছে।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপের মতো দীর্ঘ প্রতিযোগিতায় শুরুটা গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেটিই শেষ কথা নয়। দলীয় সামঞ্জস্য, কৌশলগত পরিবর্তন এবং ম্যাচভিত্তিক পারফরম্যান্সই শেষ পর্যন্ত সাফল্যের মূল নির্ধারক হয়ে ওঠে। ফলে মরক্কোর বিপক্ষে ড্রয়ের পরও ব্রাজিলের শিরোপা সম্ভাবনাকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।
এখন দেখার বিষয়, প্রথম ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে ব্রাজিল পরবর্তী ম্যাচগুলোতে কতটা কার্যকরভাবে নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারে।